,

Home » বিশেষ কলাম » আহ্লা দরবার শরীফের প্রাণপুরুষ কুতুবে যমান জনাব হযরত মাওলানা কাজী আসাদ আলী (রহ:)

আহ্লা দরবার শরীফের প্রাণপুরুষ কুতুবে যমান জনাব হযরত মাওলানা কাজী আসাদ আলী (রহ:)

আলমগীর রানা
মানব সম্প্রদায় সৃষ্টির মূলে রয়েছে প্রেম। সৃষ্টির বহু পূর্বেই আল্লাহ পাক তাঁর নিজের নূর হতে নূর নিয়ে তাঁর হাবীব মোহাম্মদ মোস্তফা (দ:) কে সৃষ্টি করেন। তাঁর হাবীবের প্রতি তাঁর (সৃষ্টিকর্তার) যে অপরিসীম প্রেম, তারই ফলশ্রুতিস্বরূপ আল্লাহপাক মানবজাতি সৃষ্টি করেন। এই মানব সমাজের আত্মার নিগূঢ় তত্ত্ব এবং প্রেম-বিভোর অবস্থার শান-মান যে কী, তা একমাত্র তরীকতপন্থীরাই সম্যকরূপে উপলব্ধি করেন। তাই, তরীকতের বায়আত নিয়ে আল্লাহর প্রেমিকগণ আল্লাহ্ পাকের, রসূলে করীম (দঃ) এঁর এবং মুর্শিদে পাক (রহঃ) এঁর মাধ্যমে নিজের ও সৃষ্টির নিগূঢ়তত্ত্ব বুঝার চেষ্টায় রত থাকেন। আখেরী নবী (দঃ) এঁর বেসাল তথা খোদার সাথে পরপারে মিলনপ্রাপ্তির পরে আর কোনো নবী-রাসূল পৃথিবীতে আসবেন না। কিন্তু আল্লাহ্ তা’লার এই খেলাফত তথা প্রতিনিধিত্ব জারি রয়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। নবী করীম (দঃ) এঁর ওয়ারিশ, যাহেরী ও বাতেনী জ্ঞানের অধিকারী বুযূর্গ আলেম-উলামা, পীর-আউলিয়া ও তাসাউফের ইমামগণই এই খেলাফত জারি রাখবেন।
জন্ম: আহ্লা দরবার শরীফের প্রাণপুরুষ, আধ্যাত্মিক জগতের স¤্রাট, কুতুবে যমান জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) তাঁর পূর্বপুরুষ হযরত শায়খ মোহাম্মদ গৌরী (রহঃ) এঁর দোয়ার বাস্তব রূপ। কথিত আছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে আগমনের পূর্বে হযরত শায়খ মোহাম্মদ গৌরী (রহঃ) একবার পবিত্র হজ্বব্রত পালন শেষে মদীনা মনওয়ারায় হুজুর পূর নূর (দঃ) এঁর রওযা শরীফ যিয়ারতে যান। যিয়ারতকালে রওযা মোবারক হতে তাঁর প্রতি নির্দেশ এলো ইসলাম প্রচারের জন্যে তিনি যেন দক্ষিণ এশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলে গমন করেন। এই নির্দেশ পাওয়ায় হুজুর পাক (দঃ) এঁর কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময় রওযা শরীফের পবিত্র গিলাফ মোবারক স্পর্শ করে ক্রন্দনরত অবস্থায় তিনি আরজি পেশ করেন, অজানা এই গন্তব্যের স্থানে ইসলামের প্রচার প্রসার যেন তাঁর আওলাদে পাকগণের মাধ্যমে চিরস্থায়ী হয়। তাঁর এই ফরিয়াদ রাসূলে করিম (দঃ) এঁর দরবারে কবুল হয়। বস্তুত যুগে যুগে তাঁর বংশপরম্পরায় আওলিয়া কেরামের বেলাদত (জন্ম) হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তাঁরই বংশধর মৌলভী সৈয়দ সফর আলী সাহেবের ঔরসে জন্ম গ্রহণ করেন কুতুবে যমান জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ)।
শিক্ষা: পূর্বপুরুষদের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে লালিত হওয়ার কারণে শৈশবেই জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী (রহঃ) এঁর মনে গভীর খোদাপ্রেম, সৃষ্টি জিজ্ঞাসা ও ধর্মানুরাগের উন্মেষ ঘটে। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে উচ্চ শিক্ষার্থে তিনি হিন্দুস্তান গমন করেন। কোলকাতা থেকে আরবীতে টাইটেল অর্জন শেষে দেশে ফিরে এলে শিক্ষানুরাগী প্রায় চারশ মানুষের একটি দল চট্টগ্রামে তৎকালীন নৌবন্দর ফিরিঙ্গী বাজারে তাঁকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। সে সময় ওই পথ ধরে যাচ্ছিলেন তাঁর ছোটবেলার শিক্ষক বাবু হরিচন্দ্র বসাক। তিনি কৌতুহলবশত: সম্বর্ধনা দেখতে গেলে জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) তাঁকে চিনতে পেরে এগিয়ে এসে পা ছুঁয়ে সম্মান করতেই পুরনো ছাত্রকে চিনে বাবু হরিচন্দ্র বসাক তাঁকে জড়িয়ে ধরেন এবং প্রাণ ভরে আশীর্বাদ করেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) শিক্ষকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষাকে তিনি খুবই মূল্যায়ন করতেন।
কর্মজীবন: উচ্চ শিক্ষা শেষে ফিরে এসে জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) আহ্লা মৌজায় স্বগৃহে অবস্থান গ্রহণ করেন। বাড়িতে কোরআন, হাদীস ও ফেকাহ্সহ বিভিন্ন শাস্ত্রে প্রচুর পড়াশুনা করেন এবং নিষ্ঠার সাথে পরহেযগারী ও তাক্ওয়া অর্জনে ব্রতী হন। এলাকাবাসীর বিভিন্ন ধর্ম জিজ্ঞাসার সমাধান, তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার সুরাহা, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে সত্য পথের দিক নির্দেশনা দান, এলাকাবাসীর মধ্যে পারস্পরিক বিরোধের মীমাংসা ইত্যাদি নানান সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ সুষ্ঠুভাবে সমাধানের ফলে তাঁর সুনাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর এই সকল জনহিতকর কাজের সুখ্যাতির পরিপ্রেক্ষিতে অল্পকাল পরেই বৃটিশ প্রশাসন জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) কে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার তৎকালীন কাউখালীতে অবস্থিত বিচারালয়ে কাজী তথা বিচারকের পদ গ্রহণের প্রস্তাব প্রদান করে। সর্বসাধারণের মামলা মোকদ্দমায় সুবিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে তিনি সানন্দে এই সম্মানজনক পদ গ্রহণ করেন। সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তিনি কাজী পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং সুনাম অর্জন করেন। কর্মস্থল কাউখালি কোর্ট হতে নিজ বাড়ী আহ্লা মৌজায় সপ্তাহান্তে যাতায়াতের বিড়ম্বনা এবং কর্মস্থলে বসবাসের বিভিন্ন অসুবিধা সত্ত্বেও সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি এই গুরুদায়িত্ব পালন করে যান।
বায়াত গ্রহণ ও আধ্যাত্মিক জীবন: বিচারক হিসেবে কর্মজীবন এবং জমিদার হিসেবে ব্যক্তিগত জীবন যাপনের চাইতেও প্রধান আত্মজিজ্ঞাসা খোদা প্রেমের পথ অন্বেষণে তিনি পথ প্রদর্শক একজন কামেল পীরের সন্ধানে ব্যাপৃত হন। তিনি উপমহাদেশখ্যাত মাইজভা-ার দরবার শরীফের গোড়াপত্তনকারী, আধ্যাত্মিক শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহ্মদ উল্লাহ শাহ্ সাহেব কেবলা (কঃ) এঁর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁর পবিত্র হাতে বায়াত গ্রহণ করে ধন্য হন। আধ্যাত্ম সাধনা ও রেয়াযতের সুকঠিন সোপান সমূহ পার হয়ে সিদ্ধি লাভের পর তিনি হযরত আহ্মদ উল্লাহ্ শাহ্ সাহেব কেবলার (রহঃ) অন্যতম খলিফা হিসেবে পরিণত হন এবং নিজ পীর ও মুর্শিদ কর্তৃক ‘জনাব’ উপাধিতে বিভ’ষিত হন। তাঁর অপর লকব ছিল ‘কুতুবে যমান’ অর্থাৎ যুগের কুতুব। খেলাফত প্রাপ্তির পর জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) আহ্লা দরবার শরীফে কায়েমে মকাম তথা অধিষ্টিত হন ও সুফীতত্ত্বের চর্চা, ইসলাম ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন এবং ধর্মপ্রাণ সর্বসাধারণকে হেদায়াত ও দীক্ষা দেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ইসলামের হুকুম-আহ্কাম পালনে নিষ্ঠাবান ছিলেন। পাঞ্জেগানা নামায, রোযা, কুরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও সেমা মাহ্ফিল, ঈদের জামাতে ইমামতি করা ছাড়াও তাঁর জীবনযাপন ছিল সম্পূর্ণভাবে শরীয়তের বিধানানুগ। নিয়মিত মোরাকাবা-মোশাহেদার মাধ্যমে ধ্যানমগ্ন হওয়া ছাড়াও প্রায়ই জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) কে আহ্লা দরবার শরীফের অদূরে কড়লডেঙ্গা পাহাড় ও জঙ্গলে গভীর আধ্যাত্মিক সাধনায় ধ্যানস্থ হতে দেখা যেতো। রেয়াযতের এক পর্যায়ে মাইজভা-ার দরবার শরীফের নয়নমণি হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান আল হাসানী সাহেব কেবলা প্রকাশ বাবা ভা-ারী (কঃ) ও জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) একযোগে দক্ষিণ চট্টগ্রামের দেয়াঙ্গ পাহাড়ে দীর্ঘদিন আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত ছিলেন।
কিছু কারামত সংক্ষেপ: জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী সাহেব কেবলা (রহঃ) এঁর অসংখ্য কারামত সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো রাতের শেষ প্রহরে বাঘের পিঠে আরোহন করে বাড়ির উঠোনে আগমন করা, দরবার শরীফের ঐতিহ্যবাহী দিীঘিতে সাত দিন সাত রাত পানিতে অদৃশ্য হয়ে দীঘি থেকে জ্বিন-দেও-দানব বিতাড়ণ, একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান, সমুদ্রের পানিকে খাওয়ার পানিতে পরিণত করে জাহাজের নাবিকদের জীবন রক্ষা, বার্মা থেকে সকালে রওনা হয়ে দুপুরের মধ্যে চট্টগ্রামের আহ্লা মৌজায় মায়ের কাছে প্রবাসী ছেলেকে প্রত্যাবর্তন করানো, ইমাম উল্লাহ্র চরের শোকর আলীর পিঠে একটি মৃদু থাপ্পড় মেরে খুনের মিথ্যে মামলা হতে বেকসুর খালাস, মেয়ের জামাইকে আপ্যায়নের মুরগীর রোস্ট ছোঁ মেরে নিয়ে যাওয়া চিলের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া, মুরীদ আবদুল লতিফ কেরানী সাহেবের মুখম-লে হাত মোবারক বুলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে ১১০ বছরেও তারুণ্য প্রদান, ইমাম আলী ফকির নামে এক মুরীদ অপরাহ্নে তবারুক নিয়ে মাইজভা-ার গিয়ে পুনরায় আহ্লা দরবারে ফিরে এসে মাগরিবের নামায পড়া এবং ভাত খাওয়ার নির্র্র্র্র্র্র্র্দেশ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে কারামত দ্বারা স্থানের দূরত্ব সংকুচিত করা, পীর-ফকিরে অবিশ্বাস ও ভক্তিহীন বৃটিশ আমলের শিক্ষিত পটিয়াস্থ মুরাদাবাদের খায়রুজ্জামান মাস্টার সাহেবকে স্বপ্নযোগে বায়াত গ্রহণ করানো এবং তরিকতে বিশ্বাস স্থাপন, ওরশের দিন তাঁর স্ত্রীর প্রসব বেদনা আরম্ভ হলে স্ত্রীর পিঠে আলতো এক চড় মেরে ‘‘আজ না বেটা, কাল’’ বলে নূরী বাবার বেলাদতকে একদিন পিছিয়ে দিয়ে নূরীবাবা যে একজন জন্মগত ওলি পিতা-পুত্রের কারামতিতে তারই প্রমাণ, দরবার শরীফে ভক্ত, আশেক, মুরিদানের শামিল হওয়ার সুবিধার্থে খাদেমগণের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রবিবার দিন তাঁর বেসালপ্রাপ্তি, ইত্যাদি।
বিস্মৃত মাজার সনাক্ত: ‘আহ্লে কাশফ’ তথা দিব্যদৃষ্টি সম্পন্ন জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) আধ্যাত্মিক ক্ষমতাবলে বিভিন্ন বিস্মৃত মাজার সনাক্ত করেন। খিতাবচরের হযরত হাসান শাহ্ ইউনানী (রহঃ) ও হযরত ইউছুপ শাহ্ ইউনানী (রহঃ), বেঙ্গুরার হযরত শাহ্ চাঁন্দ আউলিয়া (রহঃ), কড়লডেঙ্গার হযরত বু-আলী কলন্দর শাহ্ (রহঃ) ও কালাইয়ার হাটের হযরত মহিউদ্দীন শাহ্রে মাজার উল্লেখযোগ্য। তাঁর এই কারামত দেখে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট সুন্নী আলেম আল্লামা আজিজুল হক শেরে বাংলা (রহঃ) তাঁর রচিত ‘দেওয়ানে আজিজ’ গ্রন্থে জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) কে ‘‘কাশফুল কুবুর’’ খেতাবে ভ’ষিত করেন।
তাঁর ফয়েজপ্রাপ্ত বুযূর্গগণ হলেন: পটিয়াস্থ নলান্ধার গরীব আলী শাহ্নে শাহ্ (রহঃ), বোয়ালীখালীস্থ ইমামুল্লার চরের শোকর আলী শাহ্ (রহঃ), রাঙ্গুনীয়াস্থ কাউখালির বাচা ফকির (রহঃ), খরনার খায়রুজ্জমান মাস্টার, খিতাপচরের মৌলভী আবদুল হক মাস্টার, রাঙ্গুনীয়ার মকবুল চৌধুরী (রহঃ)।
বৈবাহিক জীবন: বৈবাহিক জীবনে জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলার (রহঃ) সহধর্র্মিনীদের মধ্যে মোসাম্মৎ গুলবাহার খাতুন ছিলেন অন্যতম। এই অনন্য সাধারণ মহিলার গর্ভেই আহ্লা দরবার শরীফের ওলিকুল শিরোমণি, হায্তে রওয়া, মুশকিল কোশা, সুলতানুল মোনাযেরীন, হযরতুল আল্লামা শাহ্ সূফী আবুল মোকারেম মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম আল্ক্বাদেরী আল্চিশ্তী সাহেব কেবলা প্রকাশ নূরী বাবা (রহঃ) জন্ম গ্রহণ করেন।
বেসাল ও ওরশ শরীফ: জনাব হযরত কাজী আসাদ আলী কেবলা (রহঃ) খোদা প্রেমের শিক্ষা দান ও তরীকত প্রচারের দায়িত্ব সুচারুভাবে সুসম্পন্ন করে ১৯১৫ ইং সালে বেসালপ্রাপ্ত হন। তাঁর ওরশ মোবারক প্রতি বাংলা সালের ২৯ বৈশাখ যথাযথ সম্মানের সাথে দরবার প্রাঙ্গণে উদ্যাপিত হয়। ১২ মে (২৯ বৈশাখ, শনিবার) ১০৩ তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ। আঞ্জুমানে আসাদীয়া নূরীয়া সেহাবীয়া কর্তৃক আয়োজিত ওরশ শরীফ পরিচালনা করবেন তাঁর সুযোগ্য পৌত্র পীরে কামেল মুর্শিদে বরহক, মোনাজের ও ইমামে আহলে সুন্নাত, হযরতুল আল্লামা আলহাজ শাহসুফী সৈয়দ আবু জাফর মুহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল্ক্বাদেরী আল্চিশ্তী (রহ:) সাহেব কেব্লার শাহ্জাদা সৈয়দ আব্রার ইব্নে সেহাব আল্-ক্বাদেরী আল্-চিশ্তী (মা:জি:আ:)।
লেখক ঃ সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক, সংগঠক।

Leave a Reply