,

Home » Top » ফেইসবুক বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

ফেইসবুক বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার দিনগুলোতে সীমিত সময়ের জন্য ফেইসবুক বন্ধের কথা বললেও এখন সে অবস্থান থেকে সরে এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
রবিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রশ্নপত্র যখন স্কুলে পৌঁছাই কিছু শিক্ষক রয়েছে তারা বিলির আগেই প্রশ্ন খুলে ফেইসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা আধুনিক মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের কাছে পাঠিয়ে দেন। এ কারণে আমরা বলেছি, এই পথটা আমাদের বন্ধ করতে হবে।’

‘আমরা বলেছি, আমরা বিটিআরসির সঙ্গে আলাপ করব- তারা কোনো সহযোগিতা করতে পারেন কি না। একটি সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য বন্ধ (ফেইসবুক) রাখতে পারেন কি না। এটা আমরা আলাপ করব। আমরা আলাপ করেছি তারা বলেছে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে এগুলো আসে। পরীক্ষার সময়টায় তারা লোক নিয়োগ করে রাখবেন। এ ধরনের কিছু হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন, যাতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে সেই ব্যবস্থা তারা করবেন।’

কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়ছে। পরীক্ষার সকালে বিভিন্ন ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপে প্রশ্নের সঙ্গে উত্তরও মিলছে।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠেয় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ২৩ জানুয়ারি সাংবাদিকদের জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘পরীক্ষার সময় ফেইসবুকটা বন্ধ থাকবে। পরীক্ষার একটা লিমিটেড টাইমে যখন ওই বিষয়টা (ফেইসবুকে প্রশ্ন ফাঁস) ঘটতে পারে ওটা নির্ধরণ করে আমরা চেষ্টা করব। বিটিআরসি ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলব। প্রযুক্তিগত যে সুযোগগুলো তারা নেয় সেটা বন্ধ করতে চিন্তা চলছে, এটা লিমিটেড টাইমের জন্য, এতে কেউ কোনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এটা জাস্ট একটা বলা যায় দুই-এক ঘণ্টার জন্য, এতে কিছুই হবে না।’

তবে রবিবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে ফেইসবুক বন্ধের বিষয়টি বলার কথা অস্বীকার করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা বন্ধ করে ফেলব এটা বলতে পারি না। কারণ এই ক্ষমতাও আমাদের নেই। আবেদন করেছি। উত্তর দিয়েছেন, তারা (আইসিটি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি) সহযোগিতা করবে। বন্ধ না করেও তারা অন্য পদ্ধতিতে করতে পারেন। তারা বিবেচনা করবেন সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য করা যায় কি না। এ ক্ষেত্রে তারা কী করতে পারবেন তারা ভেবে দেখবেন।’

নাহিদ বলেন, ‘যেহেতু এই মাধ্যমগুলো অপরাধীরা কাজে লাগায় সেই কারণে আমাদের এই রকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরা অবশ্যই জনগণের কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য বলিনি। অপরাধীদের কী করে বিরত রাখা যায় সেই উদ্দেশ্যে বলেছি।’

Leave a Reply