,

Home » Top » মিথ্যা মামলায় জনকণ্ঠসহ চার সাংবাদিক বেকসুর খালাস

মিথ্যা মামলায় জনকণ্ঠসহ চার সাংবাদিক বেকসুর খালাস

সনজয় সেন, পটিয়া প্রতিনিধি.

সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা মামলায় দৈনিক জনকণ্ঠের চট্টগ্রামের পটিয়া প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরীসহ চার সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। অন্যরা হলেন, দৈনিক আমার দেশ পটিয়া প্রতিনিধি শিক্ষক এটিএম তোহা, দৈনিক যায়যায় প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি এসকেএম নুর হোসেন। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোঃ নূরে আলম যথাযথ স্বাক্ষী প্রমান না পাওয়ায় মামলায় ওই চার সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। ২০১১ সালে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাণিজ্য মেলার নামে অশ্লীল নৃত্য ও শব্দ দুষণ বন্ধে দৈনিক জনকণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর সরকারি দলের একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে মেলার আয়োজক বশিরুর রহমান চৌধুরী ঝুন্টু বাদী একটি মিথ্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে করার পর থানা পুলিশকে তদন্ত করার নির্দেশ দিলেও কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই পটিয়া থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন প্রভাবশালীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা একটি সার্জশীট প্রদান করেন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে মামলাটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন ছিল। মামলার বাদী একদিনের জন্যও আদালতে হাজির ছিল না।
সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে ৮ এপ্রিল পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশে বাণিজ্য মেলার নামে অশ্লীল নৃত্য ও সার্কের আয়োজন করে সরকারি দলের একটি প্রভাবশালী মহল। ওই সময় দৈনিক জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সরকারি দলের ওই প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে জনকণ্ঠ প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরীসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক একটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। পটিয়া থানার তৎকালীন ওসি ইমতিয়াজ উদ্দিন মামলাটি কোন ধরনের তদন্ত না করেই থানায় রেকর্ড করে বির্তকিত হন। দীর্ঘ ৭ বছর মামলা মোকাবেলা শেষে সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিজ্ঞ বিচারক শুনানী শেষে চার সাংবাদিককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। সাংবাদিকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মানবাধিকার আইনজীবি জিয়া হাবিব আহসান, এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন, এডভোকেট দেওয়ান ফিরোজ আহমদ, এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন, এডভোকেট দেওয়ান ফিরোজ আহমদ, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, এডভোকেট হাসান আলী ও এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডিশনাল পিপি এম এ নাসের চৌধুরী।
জনকণ্ঠ প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাণিজ্য মেলার নামে ২০১১ সালে পটিয়া স্কুল মাঠে পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশেই একটি প্রভাবশালী অশ্লীল নৃত্য ও সার্কাসের আয়োজন করেন। ওই সময় সংবাদ প্রকাশের কারণে ক্ষমতাসীন দলের একটি মহলের ইন্ধনে মেলার আয়োজক জনকণ্ঠ প্রতিনিধিসহ চার সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করেন। ওই মামলা দীর্ঘ ৭ বছর মোকাবেলা করেই মিথ্যা প্রমান করতে পেরেছেন বলে জানান।

Leave a Reply